আপনার কি বিয়ের বয়স হয়েছে? মিলিয়ে নিন লক্ষণ

1

অনেকেই আছেন যারা বুঝতে পারছেন না, তারা আসলে বিয়ের জন্যে প্রস্তুত কিনা। জীবনসঙ্গী হয়তো খুঁজে পেয়েছেন, কিন্তু বুঝতে পারছেন না বিয়ে করার পরিস্থিতি রয়েছে কিনা আপনার। এর আগে বিয়ের জন্যে প্রস্তুত কিনা তা বোঝার জন্যে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন সেই সব লক্ষণের কথা যার মাধ্যমে বুঝতে পারবেন আপনি বিয়ের যোগ্য সবদিক থেকে। কাজেই নির্দ্বিধায় কাজটি সেরে ফেলতে পারেন।

বিয়ের কারণটা পরিষ্কার
আপনি জানেন যে বিয়ে করার সময় হয়েছে আপনার। সঠিক মানুষটিকে তো আগেই খুঁজে পেয়েছেন। কিংবা আপনার ওপর পরিবারের চাপ আছে। এও পরিষ্কার বুঝতে হবে যে, জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ে বা মধুচন্দ্রিমার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আপনি বিয়ে করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন না। বাস্তব কিছু কারণেই বিয়ে করা দরকার বলে মনে করছেন।

আপনি তাকে খুঁজে পেয়েছেন
এটা প্রথম শর্ত। নারী-পুরুষের প্রথমেই তার মনের মতো সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে খুঁজে পেতে হবে। এটা ভালোবাসার মানুষকে খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে ঘটতে পারে। কিংবা বাড়ির পছন্দেও তাকে খুঁজে পেতে পারেন। তাই সেই মানুষটির সঙ্গে দেখা হয়ে থাকলে চিন্তা শুরু করতে দোষ নেই।

আপনি স্বনির্ভর
চাকরি করছেন বা ব্যবসাটাও ভালোমতো এগিয়ে নিচ্ছেন আপনি। আর্থিকভাবে স্বচ্ছল আপনি। স্বনির্ভর তো বটেই। আরো বুঝতে হবে, আপনি একটা পরিবার চালাতে সক্ষম হয়েছে। আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকলে পরিবারে টানাটানি লেগে থাকবে। এটা অভাববোধের বিষয়। আপনার ভালো লাগবে না নিশ্চয়ই। তাই কিছুটা হলেও পয়সা জমিয়ে নিন। মনে রাখতে হবে, আপনি একা নন। একটা পরিবার চালাতে হবে আপনাকে।

আবেগগুলো বুঝে নিন
অতীতের কোনো সম্পর্কের আবেগ বয়ে বেড়াচ্ছেন না আপনি। এই আবেগের কারণে বিয়ে করছেন কিনা তা নিশ্চিত হোন। নতুন করে জীবন শুরুর চিন্তা থেকেই কাজটি করতে হবে। যাকে বিয়ে করছেন, তার মধ্যেও একই ধরনের আবেগ কাজ করবে। পরস্পরের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করে নিন। বিয়ের পেছনের আবেগ বুঝতে না পারলে বিপদ ঘটতে পারে।

সঙ্গীকে পছন্দ করে আপনার পরিবার ও বন্ধুমহল
যাকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখছেন তাকে নিশ্চয়ই পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন পরিবার ও বন্ধুমহলের সঙ্গে? এ কাজটা করতে হবে। আর যদি বাড়ির পছন্দে বিয়ে করতে চান তো আলাদা বিষয়। সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে যদি বাড়ির লোকজন ও বন্ধুরাও পছন্দ করেন, তো ধরে নিতে পারেন আপনি এই মানুষটিকে অনায়াসে বিয়ে করতে পারেন। একে বিয়ে করলে সবার কাছ থেকে সার্বিক সমর্থন আদায় করা যাবে।

আপনি আত্মবিশ্বাসী
বিয়ে করার চিন্তা করলেই হবে না। আপনার উপলব্ধি আসবে যে আপনি এ কাজ করতে প্রস্তুত। আত্মবিশ্বাস কাজ করবে। নিজেকে নিয়ে কোনো দোটানায় ভুগবেন না। পরিবার ও সমাজে নতুন জীবন শুরুর বিষয়ে আপনার মনে কোনো ভয় নেই। এমনটা মনে হলেই বুঝবেন বিয়ে করতে আপনার কোনো সমস্যা নেই।

বাড়তি দায়িত্ব কাঁধে নিতে প্রস্তুত
বিয়ে করা মানেই বাড়তি দায়িত্ব। আর সেই দায়িত্ব আপনাকেই বহনের মানসিকতা রাখতে হবে। এটা বিশেষ করে ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে এখন মেয়েরাও পরিবারের রুটি-রুজির মূল কেন্দ্র হয়ে ওঠেন। আসলে দুজনই পরস্পরের সহায়ক হবেন। কিন্তু যে পুরুষ বিয়ের চিন্তা করছেন, তাকে নতুন একটা মানুষের বাড়তি দায়িত্ব বহনে আগ্রহী থাকতে হবে। তা ছাড়া নতুন সদস্য এলে তার দায়িত্বও তো বহন করতে হবে।