ছেলেকে খুঁজে পেলেন না পিয়াসের বাবা

7

হাসপাতালের মর্গ থেকে আসা কফিনগুলো একে একে নামানো হচ্ছে নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসে। সুখেন্দু বিকাশ রয় নির্বাক হয়ে তাকিয়ে আছেন। তার একমাত্র ছেলে পিয়াসের কফিন নেই।

এ ক’দিনে পিয়াসের মরদেহ সুখেন্দুর পাশাপাশি আমিও খুঁজতে তাকে সহযোগিতা করেছি।

নিহত পিয়াসের বাবা সহজ সরল। ভালোভাবে এ্যানালগ ফোনও চালাতে পারেন না। খুব মায়া হতো তাই মন থেকে সহযোগিতা করেছি সাধ্যমতো।

দূতাবাসে যখন প্রথম জানাজার প্রস্তুতি চলছিলো সুখেন্দু বিকাশ এক পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কাছে গিয়ে ‘চাচা’ বলে কাঁধে হাত রাখতেই সুখেন্দু কেঁদে উঠলেন। বললেন, “নাই, ২৩ টা কফিনে আমার পিয়াস নাই”।

আমি পিয়াসের বাবার চোখে তাকাতে পারিনি তখন। উড়োজাহাজ দূর্ঘটনা কাভার করতে নেপালে এসে শোকাহত মানুষের কষ্ট বুকে নিয়ে ফিরছি প্রিয় জন্মভূমিতে।

(আদিত্য আরাফাত, ডিবিসি টেলিভিশনের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট। তার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেওয়া)