ব্যায়াম করার জন্য যেসব নিয়ম মানতেই হবে

242

যারা নিজেদের শারীরিক ফিটনেসও সৌন্দর্য আনার জন্য নিয়মিত জিমে যাচ্ছেন অথবা যাবেন বলে ভাবছেন তাদের উচিত জিমে যাওয়ার আগে কিছু পরিকল্পনা এবং এর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করা।

জিমে যাওয়ার লক্ষ পূরণের জন্য পরামর্শগুলো মানতে হবেই আপনাকে-

১. বাড়ির কাছাকাছি কোনো জিমে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করুন এতে টাইম ম্যানেজম্যান্ট খুব ভালো হবে। এছাড়াও জিম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সময় নিন এবং সর্বোচ্চ সেবাদানকারী কোনো জিমে ভর্তি হোন।

২. জিমে ঢুকে প্রথমেই যে কাজ টা করবেন তা হোল– জিমের ট্রেইনারের সাথে নিজের ফিটনেস গোল বা লক্ষ্য কী তা শেয়ার করুন এবং সে অনুযায়ী ট্রেইনারের দেওয়া লাইন-আপ ফলো করুন।

৩. দুর্ঘটনা এড়ানর জন্য ফিটনেস এক্সপার্টের উপস্থিতিতে ফিটনেস ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করুন। কোনো ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করতে সমস্যা হলে এক্সপার্টের পরামর্শ নিন।

৪. একটা ভুল অনেকেই করে – ক্যাজুয়াল ড্রেসে জিম করে। এটা ঠিক না। আপনি জিমে জন্য নির্দিষ্ট পোশাক, জুতা, টাওয়েল, ব্যাগসহ প্রয়োজনীয় জিনিস বাছাই করুন এবং জিমে যাওয়ার সময় নিজের সাথে রাখুন।

৫. হুট করে সময় না বাড়িয়ে আস্তে আস্তে জিমে সময় বাড়ান। এতে এক্সারসাইজের দখলটা শরীর ও মন সহজেই মানিয়ে নিতে পারবে।

৬. আপনি অবশ্যই জিমের ট্রেইনার বা পরামর্শক প্রদত্ত খাদ্যতালিকা সবসময় মেনে চলুন।

৭. সকালে জিম করলে, জিম থেকে সরাসরি কাজে চলে না যাওয়া ভাল। প্রথমে বাসায় ফিরে কিছুক্ষণ রেস্ট নিন। তারপর আপনার অফিস বা কাজে যান।

৮. সকাল-বিকাল যখনই জিমে যান না কেন টাইম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপারে নজর দিন।

৯. জিমে যেতে হয় নিয়মিত। খুব বেশি কাজের চাপ থাকলে চেষ্টা করুন অন্তত সপ্তাহে তিনদিন জিমে যাওয়ার।

১০. আর একটা ভুল করবেন না কিছুতেই। জিমে যাওয়া বন্ধ করবেন না হঠাৎ করে। বরং নিয়মিত কয়েক মাস যাওয়া-আসা করুন দেখবেন এটা নিত্যদিনের কাজের একটা অপরিহার্য রুটিন হয়ে দাঁড়িয়ে।

১১. জিম করাটা অনেক ধৈর্যের বিষয়। কিছু হচ্ছে না, আমাকে দিয়ে হবে না—এ জাতীয় ভাবনা না ভেবে এক্সারসাইজের প্রতি পজিটিভ মনোভাব এবং ধৈর্য রাখুন।

১২. ফিটনেস ধরে রাখার জন্য নিজেকে অবশ্যই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাখুন। সাথে নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন।